• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জামায়াতের কর্মসূচি বর্জনের ঘোষণা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টারদের

সিসি নিউজ ডেস্ক।। রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের দাবি জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)। বিচার না হলে জামায়াতে ইসলামীর সব কর্মসূচি বর্জনের ঘোষণাও দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করে সংগঠনটি। বিভিন্ন সংবাদপত্রের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টাররা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। মনববন্ধন থেকে জামায়াতের কর্মসূচি বর্জনের ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক রবিউল ইসলাম।

আজ সকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে একটি মিছিলের আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী। পরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে তাদের ব্রিফিংয়ের সময় মারধরের শিকার হন দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন আরো কয়েকজন সাংবাদিক।

এদিকে এই হামলার অভিযোগ উঠার পর জামায়াতের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধনে রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এর আগেও পুলিশ আমাদেরকে পিটিয়েছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আমাদেরকে পিটিয়েছে। তারা সাংবাদিকদের হামলা করে, মারধর করে রাতে এসে আবার ছবি তুলে, সমবেদনা জানায়। এরপর শেষ।’

রবিউল ইসলাম আরো বলেন, ‘হামলার পর জামায়াতের নেতা–কর্মীরা সাংবাদিকের সমবেদনা জানাচ্ছেন। বিচার করবেন বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এটা দুই দিন পরেই আবার ভুলে যাবেন।’

হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি করছি। যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা দেখা না যায়, তাহলে জামায়াতের সব কর্মসূচি বর্জন করা হবে।’

মানববন্ধনে কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক হুমায়ূন কবির বলেন, ‘জামায়াতের আমির সব সময় বলেন, তাঁরা স্বাধীন গণমাধ্যম চান। পূর্বে গণমাধ্যমের যে অবস্থা ছিল, সেটি চান না। অথচ দেখেন, আমিরের কর্মীরা তাঁদের প্রোগ্রামে সাংবাদিকদের কীভাবে বেধরকভাবে পেটায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াতের প্রোগ্রামে সাংবাদিক পেটানোর এটাই যদি প্রথম ঘটনা হতো, তাহলেও একটা কথা ছিল। কিন্তু এর আগেও আমরা দেখেছি, জামায়াতের প্রোগ্রামে অনেক সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। যে আমির সাহেব স্বাধীন গণমাধ্যম চান, তিনি এই ঘটনার পর কী ব্যবস্থা নেন, সেটা আমরা দেখতে চাই।’

কালবেলার মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক অন্তু মুজাহিদ বলেন, ‘আজকে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, এটা রাষ্ট্রেরও দায় আছে। যখন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা সাংবাদিককে পেটাচ্ছে, সেখানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সেটা ঠেকানোর জন্য কোনো ধরনের প্রচেষ্টা করেনি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ